হস্তিশুন্ড ঈদগাহ বাজারে দলীয় নাম ভেঙ্গে হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

0

বরিশালের উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড মার্কেটে রাজিব কর্মকারের স্বর্ণের দোকান রাজলক্ষ্মী জুয়েলার্স থেকে মোটা অংকের চাঁদাবাজির অভিযোগ

বরিশাল সংবাদদাতাঃ

বরিশালের উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড মার্কেটে রাজিব কর্মকারের স্বর্ণের দোকান রাজলক্ষ্মী জুয়েলার্স থেকে মোটা অংকের চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাজিব কর্মকার পিতা: অমল চন্দ্র কর্মকার উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড নিবাসী। উল্লেখিত ঈদগাহ মার্কেটে রাজলক্ষ্মী জুয়েলার্স নামে রাজিব কর্মকারের একটি স্বর্ণ ব্যবসায়ের দোকান রয়েছে।

এক মাস পূর্বে রাফি তালুকদার (১৮) পিতা: শামসুল আলম রাজিব কর্মকারের স্বর্ণের দোকানে এক জোড়া ব্রোঞ্জের চুড়ি, দুইটি আংটি, এক জোড়া কানের দুল ও ছোট এক জোড়া ঝুমকা বিক্রি করার জন্য আসে। রাজিব কর্মকার দাম দর করে উক্ত অলংকারগুলো ১ লক্ষ টাকায় ক্রয় করে। রাফি তালুকদার রাজিব কর্মকার থেকে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে বাকি ২৫ হাজার টাকা পরে নিবে বলিয়া চলে যায়।

পরবর্তীতে ১১ অক্টোবর বেলা ১১ টার দিকে রাফি তালুকদারের পিতা শামসুল আলম ও বাবু মোল্লা (৩৫) পিতা: শামসু মোল্লা এবং জাহিদুল ইসলাম মিঠু মোল্লা (৩৮) কে সাথে নিয়ে রাজিবের দোকানে গিয়ে অতর্কিতভাবে রাজিবের উপর হামলা ও মারধর করে। এতে রাজিব মারাত্মকভাবে আহত হয়। এসময় বাবু মোল্লা রাজিবের দোকানে রাখা ৪ হাজার টাকা নিয়া যায়। এক পর্যায়ে উক্ত ঘটনার মীমাংসা করে দিবে বলিয়া জাহিদুল ইসলাম মিঠু মোল্লা, রাজিব কর্মকারের কাছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দাবী করে। পরবর্তীতে পাশ্ববর্তী এক দোকানদার ঘটনা মীমাংসা করে দিবে বলিয়া রাজিবের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা জমা বাবদ নিয়ে যায়। বাকি ৯০ হাজার টাকার জন্য রাজিবকে মানসিক চাপ প্রয়োগ করে মিঠু মোল্লা ও তার সহযোগীরা।

এরই মধ্যে মিঠু মোল্লা রাজিব কর্মকারকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। মিঠু মোল্লা বলে, যদি এই ঘটনার মীমাংসার ব্যাপারে যদি কাউকে বলিস এবং ১৪ অক্টোবর রাতের মধ্যে বাকি টাকা না দিস, তাহলে তোকে জীবনের তরে শেষ করে দিবো।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যাক্তি বলে, মিঠু মোল্লা খারাপ প্রকৃতির লোক, সে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি, চাঁদাবাজি ও নিজের আধিপত্য বিস্তার করার জন্য উজিরপুরের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের নাম ভাঙ্গিয়ে হুমকি-ধামকি দিয়ে থাকে। কথায় কথায় বলে, আমি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর রাজনীতি করি না, আমি খোকন সেরনিয়াবাতের রাজনীতি করি, আমার নেতা খোকন সেরনিয়াবাত।

এ ব্যাপারে এলাকার মানুষ মিঠু মোল্লার তান্ডবে অতিষ্ট। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী রাজিব কর্মকার উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মিঠু মোল্লাসহ সকলের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী জানায়।

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
NewsLite - Magazine & News Blogger Template
To Top